দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নড়িয়ার রাজনগর জামেউল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। রোববার বিকেলে বিএনপির পক্ষে কাজ করা সাব্বিরকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার ভোররাতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয় এবং বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
এক পক্ষের দাবি, বিএনপির পক্ষে কাজ করায় জামায়াত সমর্থকরা তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। তবে অপরপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, বিএনপি সমর্থকরাই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি করেছে।
ভুক্তভোগী সারিকা বেগম অভিযোগ করেন, ‘আমরা নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে কাজ করায় আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে।’ আরেক ভুক্তভোগী চন্দ্রবান বেগম জানান, তিনি বিএনপির এজেন্ট ছিলেন বলে তার বাড়িতেও হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে এবং সংঘর্ষে তারা জড়িত ছিলেন না।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহার মিয়া জানান, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে এবং এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে আটক করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএস/